৩ চীনা নাগরিক আসায় রোগী শূন্য হাসপাতাল

৩ চীনা নাগরিক আসায় রোগী শূন্য হাসপাতাল

বাগেরহাটে তিন চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার পাঁচ মাদক চোরকারবারীকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কি না তা নিশ্চিত হতে বাগেরহাট সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে কড়া পুলিশ প্রহরায় ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণের পর মঙ্গলবার বিকালে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

করোনাভাইরাস সন্দেহে তিন চীনা নাগরিক জেরী (২৬), জ্যাক জিয়া (৩৩), ফু (৩৩) ও তাদের সঙ্গে দুই বাংলাদেশি নারায়ণগঞ্জের হাসনাত (২৮), বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের রুমন সিকদার (৩২)। সোমবার রাতে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে আনার পরপরই অধিকাংশ ভর্তি রোগী আতঙ্কে হাসপাতাল ছেড়ে চলে যায়।

মঙ্গলবার বিকালে তিন চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার পাঁচ মাদক চোরকারবারীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এমন খবরে রোগীরা আবার হাসপাতাল বেডে ফিরে এসেছে। বাগেরহাট সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বাগেরহাট সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. বেলফোর হোসেন জানান, রবিবার গভীর রাতে বিদেশ থেকে অবৈধভাবে আমদানি করা চায়না ব্রান্ডের ৩০০ বেতল মদসহ তিন চীরা নাগরিকসহ পাঁচ মাদক চোরকারবারীকে গ্রেপ্তার করে মোংলা কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন সদর দপ্তরের সদস্যরা। পরে গ্রেপ্তারকৃতদের সোমবার দুপুরে মদসহ মাংলা পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়। তাদের আদালতের মাধ্যমে বাগেরহাট কারাগারে পাঠালে কারা কর্তৃপক্ষ এই ৫ আসামি করোনাভাইরাস মুক্ত কিনা তা নিশ্চিত হতে সোমবার রাতে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠান।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের দীর্ঘসময় পরীক্ষা নিরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়েছে তাদের কেউই করোনাভাইরাসে আক্রন্ত নয়। এরপরও অধিকতর নিশ্চিত হতে হাসপাতালের করোনাভাইরাস আইসোলেশন ইউনিটে ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখার পর মঙ্গলবার বিকালে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পর্যবেক্ষণে রাখার পর আজ বিকালে তাদের হাসপাতাল থেকে রিলিজ করে বাগেরহাট কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রোগীসহ সাধারণ মানুষদের গুজবে কান না দেওয়ার পরামর্শ দেন এই চিকিৎসক।